মেদিনীপুরিয়ানকে “টুম্পা” বলায়, মারপিট দুই মেস ছাত্রের

ক্লাস কেটে কলেজের মাঠে আড্ডা দিচ্ছিল রাহুল-সৌগতেরা। হঠাৎ রাহুলকে কনুইয়ের খোঁচা মারে সৌগত— ‘‘চিঙ্কিগুলোকে দেখছিস ! পুরো একঘর !’’ বেচারা রাহুল ! সৌগতের অর্ধেক কথা বুঝতে না-পেরে মাঠের এদিক-ওদিক তাকায়। রাহুলের অবস্থা দেখে সৌগত হেসেই খুন ! মাঠের পাশ দিয়ে চলে যাওয়া কয়েকটি মেয়েকে দেখিয়ে সে রাহুলকে বলে, ‘‘ওই যে ! ওরা চিঙ্কি ! আর তুই ব্যাটা টুম্পা ! টিউবলাইট ! ক্যাবলা ছিলি, ক্যাবলাই থাকবি !’’

ব্যাপারটা বোধগম্য হয় রাহুলের। বুঝতে পারে, উত্তর-পূ্র্বাঞ্চলের মেয়েদের ‘কোড নেম’ হল ‘চিঙ্কি’ !
কী আর করবে রাহুল ! সবে মেদিনীপুরের স্কুলের গণ্ডি পেরিয়ে কলকাতায় পড়তে এসেছে। শহুরে ভাষা বা আদবকায়দা এখনও রপ্ত হয়নি তার। তাই বন্ধুদের কথার সঙ্গে তাল মেলাতে পারে না। ওই ‘অক্ষমতা’র জন্য নতুন ‘উপাধি’ পেয়েছে— ‘টুম্পা’। অর্থাৎ, ‘টিপিক্যাল আনকালচার্ড মেদিনীপুরিয়ান পিপলস অ্যাসোসিয়েশন’ !

ঠিক এমনই কথাবার্তা নিয়ে মারপিঠ শুরু হলো দুই কলেজ পড়ুয়ার মধ্যে। গড়িয়া বাজার এরিয়ায় একটি মেসে ভাড়া থাকে কিছু ছাত্র, তাঁদের মধ্যে কিছুজন মেদিনীপুরের বাসিন্দা; তাঁদের মধ্যে একজন হঠাত অন্যজনকে টুমপা বলে ডাকায় সে তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠে। শুরু হয় মারপিঠ।

ঠিক এমনই কথাবার্তা নিয়ে মারপিঠ শুরু হলো দুই কলেজ পড়ুয়ার মধ্যে। গড়িয়া বাজার এরিয়ায় একটি মেসে ভাড়া থাকে কিছু ছাত্র, তাঁদের মধ্যে কিছুজন মেদিনীপুরের বাসিন্দা; তাঁদের মধ্যে একজন হঠাত অন্যজনকে টুমপা বলে ডাকায় সে তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠে। শুরু হয় মারপিঠ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *