এই গরমে ভরদুপুরে মদ খেয়ে পাতলা পায়খানার ঢল বারুইপুরে

মদ্যপানের প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই তা রক্তে মিশে যায়। আর বমি করলে রক্তে মিশে যাওয়া মদ শরীর থেকে আদৌ বেরোয় না। কাজেই বমি করলে মদের প্রভাব থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে মদ্যপানের সাথে বমি করার তেমন কোনো সম্পর্ক নেই। পাকস্থলিতে থাকাটা হয়ত কমে, যেটি ভুল ধারনা।

তো মদ্যপানের নেশায় লোকে অনেক নেশায় মত্ত হয়, অনেক সিম্পটম দেখা যায়। কিন্তু কখনও ভেবে দেখেছ? মধ্যপানের পর পাতলা পায়খানা? অসম্ভব না? কিন্তু এমনই ঘটনা ঘটেছে বারুইপুরের একটি এলাকায়। সেখানে মধ্যপান করে রীতিমত হাগছে গোটা পাড়া।

Loading...

গত কদিন আগে ছিলো কালীপূজো, সেই উপলক্ষ্যে দেশি পদ্ধতিতে তৈরি নেশা জাতীয় তরল ব্যবহার হয় কালী পূজোতে। সেখানে সেই প্রসাদ খেয়ে হাগছে গোটা পাড়া।

দেশি পদ্ধতিতে তোইরি মদে অনেক সময় এমন হয়, তাই সেটা খেয়ে সবার একই হাল। যাদের বাড়িতে পূজো সেই গনেশ মালের দাবী সকালে পায়খানা খালি পাওয়া যায় না, সবাই পেট টিপে বসে আছে। পাড়া জুড়ে শুধু আর্তনাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *