প্রিয়ঙ্কা রেড্ডি ধর্ষণ ও পুড়িয়ে খুনে ৪ অভিযুক্তকে এনকাউন্টারে খতম করলো পুলিশ

হায়দরাবাদের পশু চিকিত্‍‌সককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত চার অভিযুক্তকে এনকাউন্টারে খতম করল তেলেঙ্গানা পুলিস। যেখানে নিগৃহীতার গায়ে পেট্রল ঢেলে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল, সেখানে ঘটনার পূনর্নির্মাণের জন্য শুক্রবার ভোররাতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল চার অভিযুক্ত- মহম্মদ আরিফ, নবীন, চিন্তাকুন্তা কেশাবুলু ও শিবাকে ।

পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনা পূনর্নির্মাণের সময়ই পালানোর চেষ্টা করে অভিযুক্তরা। তখনই শুরু হয় এনকাউন্টার। পুলিসের গুলিতে মৃত্যু হয় চার অভিযুক্তেরই।  হায়দরাবাদের মৃত পশু চিকিত্‍‌সকের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে নির্ভয়ার মা আশা দেবী বলেন, ” এবার ওঁর বাবা-মা নিশ্চয়ই স্বস্তি পেয়েছে। তাঁদের মেয়ে সুবিচার পেল। এবার অপরাধীদের মধ্যে কিছুটা হলেও হয়তো ভয় জন্মাবে।”

"কীভাবে ধর্ষিতাদের বিচার দিতে হয়, অন্য রাজ্যের পুলিসের শেখা উচিত্!" প্রতিক্রিয়া নির্ভয়ার মায়ের

৮ নভেম্বর, হায়দরাবাদ থেকে ৫০ কিমি দূরে নৃশংস ঘটনাটি ঘটে। কোল্লুরু গ্রামের বাড়িতে ফেরার সময় রাত ৯টা নাগাদ সামশাবাদের তন্দুপল্লি টোল প্লাজার কাছে স্কুটির টায়ার ফেটে যায় ওই পশু চিকিত্সকের।  ২৯ নভেম্বর  ওই টোল প্লাজা থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে শাদনগরে চাতানপল্লি সেতুর কাছে তরুণী চিকিত্সকের পোড়া দেহ উদ্ধার হয়। পুলিসের অনুমান ছিল, গণধর্ষণের (accused in the rape and murder) পর তাঁকে পুড়িয়ে দেওয়া হয় ।

স্থানীয় লোকজনের বয়ান ও সিসিটিভি ফুটেজের ভিত্তিতে চারজনকে আটক করে পুলিস। এরপর মহম্মদ আরিফ, নবীন, চিন্তাকুন্তা কেশাবুলু ও শিবাকে লাগাতার জেরা করে পুলিস। জেরার মুখে তাঁরা স্বীকার করে, শ্বাসরোধ করেই খুন করা হয়েছিল পশু চিকিত্সককে। এর পর প্রমাণ লোপাটের জন্যই তাঁর শবদেহ পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করে দুর্বৃত্তরা। হায়দরাবাদ গণধর্ষণ কাণ্ডের পর থেকে আক্রোশে ফুঁসতে থাকে গোটা দেশ। দেশের সর্বত্র প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন বিভিন্ন মহলের হাজার হাজার মানুষ। অপরাধীদের ফাঁসির দাবিতেও সুর চড়ান অনেকে। এরপরেই শুক্রবার কাকভোরে পুলিসের এনকাউন্টারে খতম চার অভিযুক্তই।

সূত্রঃ Zee 24 Ghanta

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *