বলিউডের ৫ টি মুভি যা শুধুমাত্র বড়োদের জন্য, ৩ নাম্বারটি অবশ্যই দেখুন

বলিউড মানেই মুভি, বলিউড মানেই এন্টারটেইনমেন্ট। বিশ্বজুড়ে বলিউডের খ্যাতি অনন্য। তবে বলিঊড সাধারণত ভারতীয় সংস্কৃতির উপর জোর দিয়ে ফ্যামিলি নিয়ে বসে দেখার মত মুভি বানিয়ে থাকে। তাই সপরিবারে দেখার মত এই মুভিতে নগ্ন দৃশ্য তেমন নেই বললেই চলে। তবে কয়েকটা মুভি আছে যা আছে এর বিপরীত।

ইনসাফ কা তরাজু : ১৯৮০ সালের এই ছবি আজও টিভি-র বিভিন্ন চ্যানেলে দেখানো হয়। চায়ের কাপ হাতে নিয়ে আমরাও সপরিবার দেখতে শুরু করি। কিন্তু দু’খানি ভয়াল-ভয়ঙ্কর বিতর্কীয় দৃশ্যের সামনে পড়ে ধরণী দ্বিধা হও-পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়ই। বিশেষ করে ‘মাইনর’ পদ্মিনী কোলাহ্‌পুরীর দৃশ্যটি আজও গুরুজনের সামনে অস্বস্তি তৈরি করে।

Insaf Ka Tarazu

দিল্লি বেলি : ২০১১-এর এই ডার্ক কমেডির নান্দনিকতা নিয়ে কিছু বলার নেই। কিন্তু পরিচালক অভিনয় দেও আর চিত্রনাট্যকার অক্ষত শর্মা রাজধানীর আরবান স্ল্যাংকে তুমুলভাবে ব্যবহার করেছিলেন এই ছবিতে। তার উপরে ছিল বদলাতে থাকা সামাজিক সম্পর্কের খতিয়ান। বাঙালির সপরিবার মুভিদর্শন এখানেও অস্বস্তিকর।

গ্যাংগস অফ ওয়াসিপুর : না কোনও আপত্তিকর দৃশ্য এখানে নেই। কিন্তু ধানবাদ খনি অঞ্চলের রূঢ়তম বাস্তবকে ক্যামেরায়িত করতে পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপ ব্যবহার করেছিলেন অমেয় স্ল্যাং। প্রায় প্রতিটি সংলাপেই ঝরে পড়েছে ঠেঠ অপভাষার মণিমুক্তো। ‘সপরিবারে’ এ ছবি দেখা সত্যিই কঠিন।

পার্চড : লীনা যাদব পরিচালিত ২০১৫-এর এই ছবির কেন্দ্রীয় বিষয় রাজস্থানের মরু অঞ্চলের সমাজ ও নারী। নারী অবদমনের বাস্তবকে তুলে ধরতে একদিকে যেমন উঠে এসেছে স্পষ্ট খোলামেলা, তেমনই এর সংলাপে কোনও আগল রাখেননি পরিচালক। আপত্তিকর দৃশ্য এখানে এতটাই অবারিত যে, পারিবারিক দর্শন সত্যিই দুরূহ।

PINK

পিঙ্ক : অনিরুদ্ধ রায়চৌধুরীর ২০১৬-এর হিন্দি ছবিরও বিষয় নারী-নিগ্রহ। রয়েছে লম্বা আদালত-দৃশ্য। চিত্রনাট্যের প্রয়োজনেই উঠে এসেছে এমন সব সওয়াল-জবাব, যা বয়ঃসন্ধি পর্বের সন্তান-সহযোগে উপভোগ করা কঠিন। সব থেকে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়, যখন অপ্রাপ্তবয়স্কটি বাবা বা মা’র কাছে জানতে চায়, ছবিটার নাম ‘পিঙ্ক’ হল কেন। আসলে একে গ্রহণ করে উপভোগ করতে ভারতীয় তথা বাঙালি মধ্যবিত্তির এখনও ঢের দেরি।   

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *