‘বাবু’ বলে ডাকায় গার্লফ্রেন্ডের কোলে মুতে দিলো ২৫ বছরের যুবক-জানুন বিস্তারিত

ভালোবাসা ভালোবাসা!! প্রেম প্রেম।। প্রেমে মজেছিলো দক্ষিণ কোলকাতার টালীগঞ্জের শতরূপা মিত্র ও পার্ক পার্কাসের প্রসেনজিৎ হোড়। চুটিয়ে প্রেম চলে দুজনের। মাখো মাখো প্রেমে দুজনে পাগল। চাকরি পাওয়ার পর বিয়ের ইচ্ছে দুজনেরই। ভালোবাসার অনেক নাম, এই ভালোবাসার ডাকনাম সীমানা ছাড়িয়েছিলো অনেক আগেই। তাদের প্রেমে মশগুল, মাতোয়ারা। কখনো ঢাকুরিয়া লেক, কখনও টালিগঞ্জ মেট্রো; হাত ধরাধরি করে তাদের প্রায়শই দেখা মিলতো।

ভালোবাসার মানুষটিকে ভালোবেসে ডাকতে কে না পছন্দ করে; ভালোবাসার অনেক নাম। সোনা, বাবু, বাবুন, পুচু, কুচু কত নাম। নিজের সন্তানের মত করে ভালোবাসা বলতে গেলে। গার্লফ্রেন্ডের কাছে মায়ের ভালোবাসার মতই ভালোবাসা ছিলো। দুজনের প্রেম প্রায় ৩ সপ্তাহের। এর মধ্যেই অনেকটা গুছিয়ে নিয়েছে তারা নিজেদের লাইফ।

তিন সপ্তাহের প্রেমে প্রথম সাপ্তাহিক এনিভার্সারীও পালন করে তারা কেক কেটে। ভালোবাসা এতটাই চরম তারা নিজেদের বাচ্চার নাম অব্দি ঠিক করে ফেলেছিলো এই মাত্র কদিনেই। ইচ্ছে ছিলো চাকরি পেয়েই বিয়ে করবে তারা। লাল চুলে, সাদা স্নিকার্স, কানের দুল , স্কিন টাইট ফর্মাল প্যান্টে প্রসেনজিত সাউথের মুভি হিরো। ইচ্ছে মডেলিং।

এর মধ্যে বিপত্তি বাঁধে গত শনিবার সন্ধ্যে নাগাদ। সন্ধ্যে গড়াতে প্রেম গড়ায় ঢাকুরিয়া লেখে; গার্লফ্রেন্ডের কোলে বসেছিলো প্রসেনজিৎ। গার্লফ্রেন্ড ভালোবেসে সোনা বাবু পুচু এসব বলে ডাকতে থাকে। ভালো ছেলে প্রসেনজিতের ছোটোবেলার কথা মনে পড়ে যায়; ভাবে মায়ের কোলে শুয়ে আছে বাবুটা। মায়ের আদর পেয়ে এতটাই মশগুল হঠাত শতরূপার কোলেই হিসু করে দেয় প্রসেনজিৎ, আর ওয়াঁ ওয়াঁ করে কাঁদার আওয়াজ করতে শুরু করে।

এ ব্যপারে আমরা প্রশ্ন করেছিলাম শতরূপাকে, তিনি বলেন, “ও যদি আমার মধ্যে মায়ের ভালোবাসা খুজে পায় তাতেই আমার ভালোবাসার পরিপূর্ণতা; একবার কেনো, হাজারবার হিসু করুক আমার সোনাবাবুটা, নিজের সন্তানের মত ওকে ভালোবাসা দিয়ে বড়ো করবো আমি”

এতাই হয়ত সত্যিকারের ভালোবাসা, কাছে আসার কাহিনী। গল্পের লায়লা মজনুও এতটা ভালোবাসেনি যা এরা মাত্র তিন সপ্তাহে করে দেখিয়েছে। ভালোবাসা পূর্ণতা পাক; বিয়ে সংসার হোক চাই সবাই আর বাকি যুগল এদের থেকে শিক্ষা নিক। সকলে ভালোবাসার কাহিনী শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *