নুনুতে মন্ত্রপূত কাঁচালঙ্কা বাটা মেখে ক্রাশকে পটালো হাওড়ার সৌরভ

কপাল খুলে গেলো হাওড়ার এক যুবকের। নাম সৌরভ বাকুলি। এক অসাধ্য সাধ্যন করে ফেলেছেন হাওড়ার ছেলে সৌরভ। নিজের ক্রাশকে এক অনবদ্য উপায়ে পটিয়ে চারিদিকে সাড়া ফেলে দিয়েছেন সৌরভ। নিজেও গর্বিত মনে করছেন। প্রথমে ব্যপারটা গোপন করতে চাইলেও সাড়া পড়ে যায় চারিদিকে।

জানা যায়, সৌরভ একজন বেকার যুবক; পড়াশুনো তেমন করেনি তাই চাকরি বাকরিও জোটেনি; চুল সাদা থুতনিতে হাল্কা দাড়ি রাখা চিকন চাকন কৃষ্ণবর্ণের সৌরভ অধিকাংশ সময় বটতলায় বিড়ি খেয়ে কাটায়। বেকার হওয়ার জন্য সৌরভের বিয়ে হচ্ছিলো না, এদিকে বিয়ের বয়স পেরিয়ে যাচ্ছে; নিজের একাকিত্বে ফ্রাস্টেশনে ভূগছিলো সৌরভ।

দীর্ঘদিন যাবৎ রিয়া নামের স্থানীয় এক মেয়ের উপর ক্রাশ ছিলো সৌরভের। কিন্তু DSLR আর KTM বাইক না থাকায় রাজি হচ্ছিলো না মেয়েটি। তাতে নিজের উপর আস্থা হারায়নি রাহুল। তার বন্ধু অতনু তাকে এক জ্যোতিষ তান্ত্রিক বাবার সন্ধান দেয়; সেই জ্যোতিষির তন্ত্রগুণে মিলেছে দারুণ সাফল্য।

তান্ত্রিক বাবার পরামর্শ মতে, বাবার দেয়া মন্ত্রপূত কাচালংকা বাটা মাখতে শুরু করে সৌরভ। প্রথম প্রথম জ্বালায় ছটপট করত সৌরভ, পাগলের মত ছুটাছুটি করত চারিদিকে। কিন্তু ভালোবাসায় কি না হয়। সৌরভের মতে তান্ত্রিক বলেছে সব ভালোবাসার উৎস নাকি নুনুতে, তাই এখান থেকেই শুরু।

১৪ দিনের লংকাবাটা কোর্স করার পর তার ডাকে সাড়া দেয় তার ক্রাশ রিয়া। তিন বছরের ক্রাশ তার প্রেমে সাড়া দেয়। গত সপ্তাহেই কেক কেটে তাদের প্রেমের সাপ্তাহিক এনিভার্সারী পালন করে সবাই; এই নিয়ে গোটা এরিয়ায় শোরগোল পড়ে গেছে।

সৌরভের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিলো সেই তান্ত্রিকের সন্ধান, কিন্তু উনি বলেছেন, তান্ত্রিকের সাথে তার প্রধান শর্ত ছিলো তিনি নাম বলতে পারবেন না। এভাবেই কিছু ভালো মানুষ এসে অন্যের ভালো করে চলে যায়। ঘটনাটি সম্পূর্ণ লোকমুখে শোনা, তাই অতি উত্তেজনায় কেউ নুনুতে লঙ্কাবাটা মাখবেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *